বাবার ধামে
সকাল পাঁচটাতে উঠে রেডি হয়েছি। একটু ফুলবাবু সাজার ইচ্ছে হয়েছে। তাই পরণে ধুতি পাঞ্জাবি। আজকাল রেডিমেড ধুতি পাওয়া যায়। আগে একটু বয়স্ক গোছে কাউকে ধরতে হত ধুতি পরানোর জন্য। এখন নিশ্চিন্ত। পায়জামার মত গলিয়ে নিলেই হল। তবে সমস্যা হল মধ্য ডিসেম্বরে ভোরবেলা ঠান্ডা , নদীর পাশে আরো বেশী। স্টাইল দেখাতে গিয়ে সর্দি - কাশির খপ্পরং যাতে না পড়ি তাই জওহর কোট পড়ে নিলাম। আমাদের হোটেল বেনারস হাভেলির লোকেশন চমৎকার। দুই কদম হাঁটলেই অসি ঘাট। সামনের রাস্তাও চওড়া। বড় গাড়ি ও আরামসে চলে। অসি ঘাটে সকাল সন্ধ্যে দুইবেলাই গঙ্গা আরতি হয়। অসি ঘাট বেশ চওড়া। একদিকে মঞ্চ আছে। আরতি শেষে ক্ল্যাসিকাল সংগীতের ছোট্ট অনুষ্ঠান হবে। সকালের এই অনুষ্ঠানের নাম “ সুবাহ্ বেনারস ” । মোটামুটি ভীড় আছে। রাস্তায় অটো আর রিক্সার প্যা - পোঁ। হর্নের ব্যাপারে বেনারসের চালকরা দরাজহস্ত। অসি ঘাটের সামনে অনেকটা খোলা জায়গা। সেখানে পরপর চৌকি পাতা। এর উপরে উঠেই পুরোহিতেরা মঙ্গলারতির মাধ্যমে সূর্যদেবকে ...